আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে চলেছে পথশিশুর সংখ্যা। দেশে বর্তমানে পথশিশুর সংখ্যা ১০ লাখ। পথশিশু বৃদ্ধির এ হার বজায় থাকলে ২০১৪ সাল নাগাদ সংখ্যা ১২ লাখে গিয়ে দাঁড়াবে। অথচ ক্রমবর্ধমান এ শিশুদের কল্যাণে নেই কোন নীতিমালা। সরকার ঘোষিত ভিশন ২০২১ অর্জন করতে হলে এখনই এ শিশুদের কল্যাণে একটি পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা তৈরি প্রয়োজন। পথশিশুদের প্রায় ৪৪ ভাগ ধূমপান করে এবং রাতে ঘুমানোর জন্য ৪১ ভাগ শিশুর কোন বিছানা নেই। পথশিশুদের প্রায় ৪০ ভাগ প্রতিদিন গোসল করতে পারে না ও ৩৫ ভাগ শিশু খোলা জায়গায় পায়খানা করে। কোন মতে খাবার যোগাড়ের জন্য ৮০ ভাগ পথশিশু বিভিন্ন ধরনের কাজ করে। ৮৪ ভাগের কোন শীতবস্ত্র নেই। এতে আরও বলা হয়, অসুস্থ হলে প্রায় ৫৪ ভাগের দেখাশোনার কেউ নেই। অর্থের অভাবে পথশিশুদের ৭৫ ভাগ ডাক্তারের কাছে যেতে পারে না।
বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা সোশ্যাল এ্যান্ড ইকোনমিক এনহ্যান্সমেন্ট প্রোগ্রাম (সিপ) আয়োজিত ‘পথশিশুদের অমানবিক জীবন ও বিভিন্ন সমস্যা’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মসূচী সমন্বয়কারী মনিরুজ্জামান ও ডেপুটি কোঅর্ডিনেটর তাহমিনা জেসমিন। আর মিতা মোঃ সজীব, মুন্নী বেগম, রুনা প্রমুখ পথশিশু তাদের জীবনের নানান অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে।
সম্মেলনে তাঁর লিখিত বক্তব্যে বলেন, একটি যুগোপযোগী নীতিমালা না থাকায় এই ছিন্নমূল জনগোষ্ঠীকে সমাজের মূল ধারায় নিয়ে আসার কাজ ব্যাহত হচ্ছে। পথশিশুদের উন্নয়নে সরকারের নেয়া বিভিন্ন উদ্যোগও কাক্সিক্ষত লক্ষ্য অর্জন করতে পারছে না। প্রতিবছর জাতীয় বাজেটে বরাদ্দ থাকলেও তার সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এসব শিশু । পথশিশুদের উন্নয়নে মনযোগী না হলে সরকার ঘোষিত ভিশন ২০২১ বাস্তবায়ন কঠিন হবে। তিনি আরও বলেন, বিগত সরকারের সময়ে পথশিশুদের উন্নয়নে একটি কার্যকর ও পরিপূর্ণ নীতিমালা তৈরির উদ্যোগ নেয়া হলেও তা আজও বাস্তবায়িত হচ্ছে না।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর পরিসংখ্যান তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, শতকরা ৩৪ দশমিক ৮ ভাগ পথশিশু কোন একটি নির্দিষ্ট স্থানে বসবাস করে ১ থেকে ৬ মাস। ২৯ ভাগ পথশিশু স্থান পরিবর্তন করে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কারণে, আর ৩৩ ভাগ পাহারাদারদের কারণে। এরা ফুটপাথে খোলা আকাশের নিচে রাত কাটালেও প্রায় ৫৬ ভাগ শিশুকে মাসিক ১৫০-২০০ টাকা নৈশ প্রহরী বা মস্তানকে দিতে হয়। বিবিএসের ওই একই গবেষণায় বলা হয়, পথশিশুদের প্রায় ৪৪ ভাগ ধূমপান করে এবং রাতে ঘুমানোর জন্য ৪১ ভাগ শিশুর কোন বিছানা নেই। পথশিশুদের প্রায় ৪০ ভাগ প্রতিদিন গোসল করতে পারে না ও ৩৫ ভাগ শিশু খোলা জায়গায় পায়খানা করে। কোন মতে খাবার যোগাড়ের জন্য ৮০ ভাগ পথশিশু বিভিন্ন ধরনের কাজ করে। ৮৪ ভাগের কোন শীতবস্ত্র নেই। এতে আরও বলা হয়, অসুস্থ হলে প্রায় ৫৪ ভাগের দেখাশোনার জন্য কেউ নেই। অর্থের অভাবে পথশিশুদের ৭৫ ভাগ ডাক্তারের কাছে যেতে পারে না।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গ্রেফতারের শিকার হয় ১৯ ভাগ পথশিশু। অথচ এদের অর্ধেকের বিরুদ্ধে কোন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকে না। সংবাদ সম্মেলনে সিপ সুনির্দিষ্ট নীতিমালার আলোকে পথশিশুদের অধিকার রক্ষা উন্নয়নে আইন প্রণয়ন, প্রকল্প গ্রহণ ও বরাদ্দ প্রদানসহ পথশিশু সৃষ্টির জন্য দায়ী বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা নিরসনে যথাযথ দৃষ্টি দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানায়
বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা সোশ্যাল এ্যান্ড ইকোনমিক এনহ্যান্সমেন্ট প্রোগ্রাম (সিপ) আয়োজিত ‘পথশিশুদের অমানবিক জীবন ও বিভিন্ন সমস্যা’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মসূচী সমন্বয়কারী মনিরুজ্জামান ও ডেপুটি কোঅর্ডিনেটর তাহমিনা জেসমিন। আর মিতা মোঃ সজীব, মুন্নী বেগম, রুনা প্রমুখ পথশিশু তাদের জীবনের নানান অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে।
সম্মেলনে তাঁর লিখিত বক্তব্যে বলেন, একটি যুগোপযোগী নীতিমালা না থাকায় এই ছিন্নমূল জনগোষ্ঠীকে সমাজের মূল ধারায় নিয়ে আসার কাজ ব্যাহত হচ্ছে। পথশিশুদের উন্নয়নে সরকারের নেয়া বিভিন্ন উদ্যোগও কাক্সিক্ষত লক্ষ্য অর্জন করতে পারছে না। প্রতিবছর জাতীয় বাজেটে বরাদ্দ থাকলেও তার সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এসব শিশু । পথশিশুদের উন্নয়নে মনযোগী না হলে সরকার ঘোষিত ভিশন ২০২১ বাস্তবায়ন কঠিন হবে। তিনি আরও বলেন, বিগত সরকারের সময়ে পথশিশুদের উন্নয়নে একটি কার্যকর ও পরিপূর্ণ নীতিমালা তৈরির উদ্যোগ নেয়া হলেও তা আজও বাস্তবায়িত হচ্ছে না।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর পরিসংখ্যান তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, শতকরা ৩৪ দশমিক ৮ ভাগ পথশিশু কোন একটি নির্দিষ্ট স্থানে বসবাস করে ১ থেকে ৬ মাস। ২৯ ভাগ পথশিশু স্থান পরিবর্তন করে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কারণে, আর ৩৩ ভাগ পাহারাদারদের কারণে। এরা ফুটপাথে খোলা আকাশের নিচে রাত কাটালেও প্রায় ৫৬ ভাগ শিশুকে মাসিক ১৫০-২০০ টাকা নৈশ প্রহরী বা মস্তানকে দিতে হয়। বিবিএসের ওই একই গবেষণায় বলা হয়, পথশিশুদের প্রায় ৪৪ ভাগ ধূমপান করে এবং রাতে ঘুমানোর জন্য ৪১ ভাগ শিশুর কোন বিছানা নেই। পথশিশুদের প্রায় ৪০ ভাগ প্রতিদিন গোসল করতে পারে না ও ৩৫ ভাগ শিশু খোলা জায়গায় পায়খানা করে। কোন মতে খাবার যোগাড়ের জন্য ৮০ ভাগ পথশিশু বিভিন্ন ধরনের কাজ করে। ৮৪ ভাগের কোন শীতবস্ত্র নেই। এতে আরও বলা হয়, অসুস্থ হলে প্রায় ৫৪ ভাগের দেখাশোনার জন্য কেউ নেই। অর্থের অভাবে পথশিশুদের ৭৫ ভাগ ডাক্তারের কাছে যেতে পারে না।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গ্রেফতারের শিকার হয় ১৯ ভাগ পথশিশু। অথচ এদের অর্ধেকের বিরুদ্ধে কোন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকে না। সংবাদ সম্মেলনে সিপ সুনির্দিষ্ট নীতিমালার আলোকে পথশিশুদের অধিকার রক্ষা উন্নয়নে আইন প্রণয়ন, প্রকল্প গ্রহণ ও বরাদ্দ প্রদানসহ পথশিশু সৃষ্টির জন্য দায়ী বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা নিরসনে যথাযথ দৃষ্টি দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানায়

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷